Banner Background

পাইলস্ (PILES) কি ও কেন হয় এবং পাইলস্ রোগের লক্ষন?

এডমিন / ০৩.১১.২০১৯

পাইলস্ কিঃ

অর্শ বা পাইলস্ হলো পায়ুপথে এবং মলাশয়ের নিম্নাংশে অবস্থিত প্রসারিত এবং প্রদাহযুক্ত শিরা। বৃহদান্ত্রের শেষাংশে রেকটামের ভেতরে ও বাইরে থাকা কুশনের মতো একটি রক্তশিরার জালিকা- যা প্রয়োজন সাপেক্ষে সংকুচিত ও প্রসারিত হয়; এর নাম হেমোরয়েড (Hemorrhoids) বা পাইলস্ (Piles)। এই অর্শ মলদ্বারের ভেতরেও হতে পারে আবার বাইরেও হতে পারে। সাধারনত দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা গর্ভকালীন সময়ে এই সমস্ত ধমনীর উপর চাপ বেড়ে গেলে পাইলসে্র সমস্যা দেখা দেয়।

পাইলস্ বা অর্শ একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। ৫০ বছরের বেশি বয়সী লোকদের মধ্যে প্রায় অর্ধেকেরই খোসপাঁচড়ার মত চুলকানি এবং রক্তপাত হয় যা থেকে পাইলসে্র উপস্থিতি আছে বলে ধারনা করা যায়। পাইলসে্র চিকিৎসায় অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

পাইলস্ কেন হয়?

দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া, পানি কম খাওয়া, শাকসব্জী ও অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবার কম খেলে, অতিরিক্ত ওজন, গর্ভাবস্থায়, লিভার সিরোসিস, বৃদ্ধ বয়সে, বেশী চাপ দিয়ে মল ত্যাগ করলে, বেশি মাত্রায় মল নরমকারক ওষুধ ব্যবহার করলে, টয়লেটে বেশী সময় ব্যয় করলে, পরিবারে কারও পাইলস্ থাকলে, দীর্ঘ সময় বসে থাকলে ইত্যাদি নানান কারনে অর্শ বা পাইলস্ বেশি হয়ে থাকে।

পাইলসে্র লক্ষন ও উপসর্গসমূহঃ

১। পায়খানার সময় ব্যথাহীন রক্তপাত হতে পারে।
২। মলদ্বারে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া হতে পারে।
৩। মলদ্বারের ফোলা বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে আবার নাও পারে। অনেক সময় বের হলে তবে তা নিজেই ভেতরে চলে যায় অথবা হাত দিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দেয়া যায়। আবার কখনও কখনও বাইরে বের হওয়ার পর তা আর ভেতরে প্রবেশ করানো যায় না অথবা প্রবেশ করানো গেলেও তা আবার বেরিয়ে আসে। ৪। মলদ্বারের বাইরে ফুলে যায় যা হাত দিয়ে স্পর্শ ও অনুভব করা যায়।
৫। পায়ুপথের মুখে চাকার মত হতে পারে।
৬। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মলদ্বারে ব্যথা হতে পারে।

লেখার সুত্রঃ http://bit.ly/33sh6Me